একটি প্রতিষ্ঠানে নতুন নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি, বেতন বৃদ্ধি কিংবা ব্যবস্থাপনায় কোনো পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার আগেই এসব খবর অনেক সময় কর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। কেউ শুনেছেন সহকর্মীর কাছ থেকে, কেউ জেনেছেন অন্য বিভাগের পরিচিতজনের মাধ্যমে, আবার কেউ পেয়েছেন WhatsApp গ্রুপের আলোচনায়। কখনো একটি অসম্পূর্ণ তথ্য, কখনো ব্যক্তিগত অনুমান, আবার কখনো নিছক হাসি-ঠাট্টার ছলে বলা একটি কথাও ধীরে ধীরে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের এই অনানুষ্ঠানিক নেটওয়ার্কের নামই Grapevine Communication।
এটি নতুন কোনো ধারণা নয়। প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগব্যবস্থার পাশাপাশি কর্মীদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ সব সময়ই ছিল। তবে ডিজিটাল প্রযুক্তি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং পরিবর্তিত কর্মসংস্কৃতির কারণে এর প্রসার, গতি ও প্রভাব এখন অনেক বেশি। একসময় অফিসের ক্যান্টিন, করিডর কিংবা চায়ের টেবিলে যে আলোচনা সীমাবদ্ধ থাকত, এখন তা মুহূর্তের মধ্যে শত শত মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে।
বর্তমান সময়ে Grapevine কে তাই শুধু গসিপ বা গুজব হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি একদিকে কর্মীদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান ও সম্পর্ক তৈরির মাধ্যম, অন্যদিকে কখনো ভুল তথ্য, ব্যক্তিগত বিরোধ, গ্রুপিং এবং পেশাগত ঝুঁকিরও উৎস।
Grapevine, Gossip ও Rumour – পার্থক্য কোথায়?
Grapevine হলো প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কাঠামো বা নির্ধারিত যোগাযোগ চ্যানেলের বাইরে কর্মীদের মধ্যে গড়ে ওঠা অনানুষ্ঠানিক তথ্য আদান-প্রদানের নেটওয়ার্ক। অন্যদিকে Gossip হলো কোনো ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা এবং Rumour হলো এমন তথ্য বা বক্তব্য, যার সত্যতা এখনো নিশ্চিত নয়।
এই তিনটি ধারণা পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও এক নয়।
অনেক সময় ভুল বোঝাবুঝি, অসম্পূর্ণ তথ্য কিংবা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনুমান থেকে Rumour তৈরি হয়। কখনো একজন সহকর্মী হাসি-ঠাট্টার ছলে একটি কথা বললেন, অন্যজন সেটিকে সত্য ধরে নিলেন। এরপর সেই কথাটি একজন থেকে দুজন, দুজন থেকে দশজনের কাছে পৌঁছে গেল। ডিজিটাল যুগে একটি WhatsApp, Viber কিংবা Messenger গ্রুপের মাধ্যমে অল্প সময়েই সেটি শত শত মানুষের কাছে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সবচেয়ে জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয় যখন একটি অনুমান বা অসম্পূর্ণ তথ্য বারবার প্রচারিত হতে হতে একসময় প্রতিষ্ঠানের ভেতরে সত্য হিসেবে বিবেচিত হতে শুরু করে।
বাংলাদেশের সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে Grapevine:
Grapevine এর বিস্তার বুঝতে আমাদের সামাজিক যোগাযোগের অভ্যাসটিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
বাংলাদেশের মানুষ সাধারণত সামাজিক যোগাযোগ, গল্প, আড্ডা এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক বজায় রাখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। চায়ের দোকান, ফুটপাত, কফি শপ, গণপরিবহন কিংবা অফিসের টিফিন ব্রেক – এসব জায়গায় মানুষের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশেও এর ব্যতিক্রম নেই। কেউ কয়েকবার চা খেতে যাচ্ছেন, কেউ ধূমপানের বিরতিতে বাইরে যাচ্ছেন, কেউ ব্যক্তিগত প্রয়োজনে অন্য বিভাগে যাচ্ছেন। এসব ছোট ছোট বিরতিতে একই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে, কথা হচ্ছে এবং তথ্য বিনিময় হচ্ছে।
কখনো এসব আলোচনা কাজের অভিজ্ঞতা, সমস্যা কিংবা পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য কার্যকর। আবার কখনো সেখান থেকেই ব্যক্তিগত আলোচনা, সমালোচনা কিংবা Rumour তৈরি হয়।
এ ধরনের অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ শুধু বাংলাদেশের বাস্তবতা নয়; বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কর্মক্ষেত্রেও এর প্রচলন রয়েছে। তবে দেশ, সংস্কৃতি ও কর্মপরিবেশভেদে যোগাযোগের ধরন এবং বিস্তৃতিতে পার্থক্য দেখা যায়।
Digital Grapevine: কফি টেবিল থেকে সোশ্যাল মিডিয়া:
ডিজিটাল প্রযুক্তি Grapevine এর প্রচলিত ধারণাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। এখন বর্তমান সহকর্মী, সাবেক সহকর্মী, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু, সমবয়সী কিংবা বিভিন্ন বিভাগের পরিচিতজনদের সঙ্গে WhatsApp, Telegram, Viber, Messenger এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় থাকে।
এমনকি একই প্রতিষ্ঠানে Department-wise, Team-wise কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে একাধিক ছোট ছোট গ্রুপ তৈরি হয়।
এখানে শুধু কে কী বললেন, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ নয়; অনেক ক্ষেত্রে কে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানালেন, সেটিও আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
কেউ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেয়ার করলেন, সেখানে কে Like দিলেন, কে Comment করলেন, কে Reaction দিলেন না – এসব নিয়েও কখনো কখনো ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা তৈরি হয়। মেসেজ Seen করেও Reply না দেওয়া, ফোন ধরতে দেরি করা কিংবা Call Back না করাকেও কেউ কেউ সম্পর্কের দূরত্ব বা অসহযোগিতার সংকেত হিসেবে বিবেচনা করেন।
অর্থাৎ, আধুনিক Grapevine এখন শুধু কথোপকথনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি অনেক ক্ষেত্রে Digital Behaviour, Social Signals এবং Virtual Group Dynamics এর সঙ্গেও যুক্ত হয়ে গেছে।
একসময় অফিসে কে কার সঙ্গে চা খেলেন, সেটি নিয়ে আলোচনা হতো; এখন অনেক ক্ষেত্রে কে কার পোস্টে Like দিলেন, সেটিও অনানুষ্ঠানিক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠছে।
পরিচয়ভিত্তিক গ্রুপিং এবং প্রতিষ্ঠানের সীমানার বাইরের Grapevine:
একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, একই জেলা বা অঞ্চলের সহকর্মী কিংবা দীর্ঘদিনের পরিচিতজনদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই একটি অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের বলয় তৈরি হয়। এসব নেটওয়ার্ক নতুন কর্মীদের সহযোগিতা, চাকরির তথ্য, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় যখন এই পরিচিতি পেশাগত যোগ্যতা ও পারফরম্যান্সের পরিবর্তে ব্যক্তিগত পক্ষপাত বা গ্রুপিংয়ের ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়।
কখনো কোনো সহকর্মীকে তাঁর কাজের মান দিয়ে নয়, বরং তিনি কোন গ্রুপের সঙ্গে মিশছেন, কার ঘনিষ্ঠ কিংবা কোন অনানুষ্ঠানিক বলয়ের বাইরে রয়েছেন – এসব দিয়ে মূল্যায়ন করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভালো পারফরমারকে প্রতিযোগী মনে করে তাঁর কাজকে ছোট করা কিংবা তাঁকে পেশাগতভাবে পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও দেখা যায়।
Grapevine এর আরেকটি আধুনিক মাত্রা হলো Cross-organizational Communication। আগে কোনো কর্মী প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে গেলে তাঁর সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ অনেকটাই কমে আসত। কিন্তু এখন সাবেক সহকর্মীরা বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কিংবা অন্য পেশায় যুক্ত থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকেন।
ফলে একটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে আজ যে আলোচনা হচ্ছে, তা অল্প সময়ের মধ্যেই অন্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সাবেক সহকর্মী কিংবা পরিচিতজনদের কাছেও পৌঁছে যেতে পারে। চাকরি ছাড়ার সময় কারও মধ্যে ক্ষোভ, অসন্তোষ কিংবা অসমাপ্ত বিরোধ থেকে গেলে কিছু ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা পরবর্তী সময়ে নেতিবাচক আলোচনার অংশ হতে পারে।
অর্থাৎ, আধুনিক Grapevine আর একটি প্রতিষ্ঠানের সাংগঠনিক সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।
Workplace Politics, Personal Gossip এবং Career Risk:
Grapevine এর সবচেয়ে নেতিবাচক দিকগুলোর একটি হলো ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা। কোনো নতুন সহকর্মী যোগ দিলে তাঁর পেশাগত যোগ্যতার পরিবর্তে ব্যক্তিগত জীবন, বৈবাহিক অবস্থা, পোশাক কিংবা সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়া; কে কত বেতন পান, কোন ম্যানেজার কাকে পছন্দ করেন, কে কার ঘনিষ্ঠ – এসব বিষয় অনেক সময় অনানুষ্ঠানিক আলোচনার বড় অংশ হয়ে দাঁড়ায়।
একইভাবে, ব্যক্তিগত আক্রোশ, হিংসা কিংবা পেশাগত প্রতিযোগিতা থেকে কোনো ভালো পারফরমারের বিরুদ্ধে নেতিবাচক তথ্য ছড়ানোও Grapevine এর অপব্যবহারের উদাহরণ।
এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা হলো, বিভিন্ন পর্যায়ের অনেক কর্মকর্তার নিজস্ব কিছু আস্থাভাজন সহকর্মী থাকেন, যাঁদের মাধ্যমে তাঁরা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিষয়ে অনানুষ্ঠানিক তথ্য পান। এটি নিজে কোনো সমস্যা নয়। একজন নেতা তাঁর প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইতেই পারেন।
কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় যখন কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থে এই সুযোগ ব্যবহার করেন কিংবা একপেশে তথ্যের মাধ্যমে অন্যের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করেন।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, কোনো ম্যানেজার বা লিডার যখন এসব অনানুষ্ঠানিক আলোচনা কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে কর্মীদের মূল্যায়ন করতে শুরু করেন। কারও প্রতি পক্ষপাত দেখানো, কাউকে বাড়তি সুযোগ দেওয়া কিংবা কারও Increment, Performance Rating বা Promotion এর সিদ্ধান্তে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দকে প্রাধান্য দেওয়া একটি গুরুতর ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা।
একজন কর্মীর ক্যারিয়ার কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ কিংবা অনানুষ্ঠানিক গ্রুপের আলোচনার ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।
একজন দক্ষ লিডার Grapevine কীভাবে পরিচালনা করবেন?
Grapevine বন্ধ করা সম্ভব নয়, আবার একে পুরোপুরি উপেক্ষা করাও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। একজন দক্ষ নেতার উচিত অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মনোভাব, অসন্তোষ এবং সম্ভাব্য সমস্যাগুলো সম্পর্কে ধারণা নেওয়া। তবে সেই তথ্যের সত্যতা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।
এ ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও পরিবর্তন সম্পর্কে যথাসময়ে কর্মীদের অবহিত করা।
কর্মীরা যেন ভয় বা সংকোচ ছাড়াই তাঁদের মতামত ও সমস্যার কথা সরাসরি জানাতে পারেন, এমন পরিবেশ তৈরি করা।
কোনো তথ্য শোনামাত্র প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সত্যতা যাচাই করা।
ব্যক্তিগত সম্পর্কের বাইরে সব কর্মীর সঙ্গে ন্যায্য ও পেশাদার আচরণ নিশ্চিত করা।
KPI, পরিমাপযোগ্য ফলাফল, Documented Evidence এবং স্বচ্ছ মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে Increment, Promotion ও Performance Rating নির্ধারণ করা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ এবং প্রতিষ্ঠানের গোপনীয় তথ্য সুরক্ষার বিষয়ে কর্মীদের সচেতন করা।
বিশেষ করে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা সংবেদনশীল তথ্য নিয়ে কাজ করা যেকোনো প্রতিষ্ঠানে গোপনীয়তা, পেশাগত শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীল যোগাযোগের বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উপসংহার:
প্রযুক্তির উন্নতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং পরিবর্তিত কর্মসংস্কৃতির কারণে Grapevine বিলুপ্ত হওয়ার পরিবর্তে নতুন নতুন মাধ্যমে বিস্তৃত হচ্ছে। এখন এটি শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের বিষয় নয়; অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, প্রজন্ম এবং সামাজিক নেটওয়ার্কের মধ্যেও এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে।
একটি প্রতিষ্ঠানে Grapevine থাকা স্বাভাবিক। এর মাধ্যমে ইতিবাচক সম্পর্ক, সহযোগিতা ও তথ্য বিনিময় হতে পারে। আবার একই মাধ্যম ভুল তথ্য, ব্যক্তিগত বিরোধ, গ্রুপিং এবং কর্মীদের ক্যারিয়ারের জন্য ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে।
তাই কর্মীদের দায়িত্বশীল যোগাযোগ, ম্যানেজারদের নিরপেক্ষতা এবং নেতৃত্বের স্বচ্ছতা – এই তিনটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সবশেষে মনে রাখতে হবে, Grapevine থেকে একজন নেতা তথ্য নিতে পারেন, সতর্ক হতে পারেন এবং প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন। কিন্তু যাচাইবিহীন Grapevine এর ভিত্তিতে কাউকে বিচার করা কিংবা তাঁর ক্যারিয়ার সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া কখনোই পেশাদার নেতৃত্বের পরিচয় হতে পারে না।
A good leader listens to the grapevine, but never allows the grapevine to lead.
একজন ভালো নেতা Grapevine এর কথা শোনেন, কিন্তু Grapevine কে কখনো তাঁর নেতৃত্ব বা সিদ্ধান্ত পরিচালনা করতে দেন না।
- লেখক – মো. কামরুল ইসলাম
ব্যাংকার ও কলামিস্ট

