শনিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২৬

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে শহীদ জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদনকালে বিএনপি নেতা ইদ্রিস মিয়া

দেশের সংকটময় পরিস্থিতি উত্তোরণে আলোর দিশারী ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া বলেছেন, অন্তবর্তী সরকার প্রধানের বক্তব্যেই স্পষ্ট হয়েছে যে, ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের মানুষের মালিকানা ফিরিয়ে আনতে ও আওয়ামী সরকার কর্তৃক কবর দেয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে একমাত্র জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিই নির্বাচনের দাবী তুলছে এবং রাজপথে সোচ্চার রয়েছে। এসময় তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার মহান ঘোষক সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ে সবসময় সোচ্চার ছিলেন তিনি। অন্যায়ের কাছে কখনও আপোষ করেননি। তার সেই আদর্শকে ধারন করেই দেশের যেকোনো সংকটকালে গণমানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বিএনপি। তদ্রুপ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি ঘরে ফিরবেনা বলে জানান তিনি।

৩০ মে (শুক্রবার) সকালে স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৪তম শাহদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে রাঙ্গুনিয়াস্থ শহীদ জিয়ার প্রথম মাজারে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন,খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল শেষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন বলেন,আগামী দিনে সাম্যের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সমাজ এবং রাষ্ট্র বিনির্মাণ করতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। সেই আকাঙ্খায় জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতা জীবন দিয়েছেন। এসময় তিনি আরো বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের সুনিদ্রিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা না করার মানে হচ্ছে; দেশের মানুষকে নির্বাচন থেকে দূরে রেখে আবারো স্বৈরশাসন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। জণগণ এ ষড়যন্ত্র বুঝে গেছে। তাই বার বার নির্বাচনের দাবী তুলছে বলে জানান তিনি।

এসময় লায়ন হেলাল আরো বলেন, জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য কাজ করেছেন। এদেশের গণতন্ত্রকে রুখে দেওয়ার জন্যই অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে সেদিন জিয়াউর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। কিন্তু তাদের সে উদ্দেশ্য সফল হয়নি। জিয়াউর রহমানের তৈরী করা রাষ্ট্রেকাঠামো ভিত্তির উপর দেশ দাঁড়িয়ে আছে। জাতীয়তাবাদের আদর্শ হতে জনগণ বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হয়নি। তিনি আরো বলেন জিয়াউর রহমা দেশকে স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু করেছেন। রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে যেমন সফল ছিলেন, তেমনি একজন আদর্শিক দল গড়ে তোলেন-যার নাম বিএনপি। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, আজিজুল হক চৌধুরী, আসহাব উদ্দিন চৌধুরী, নুরুল আনোয়ার চৌধুরী, মুজিবুর রহমান, রেজাউল করিম নেছার, সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু, সদস্যবৃন্দ আমিনুর রহমান চৌধুরী, জহিরুল ইসলাম চৌধুরী আলমগীর, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, নাজমুল মোস্তফা আমিন, মাস্টার মোহাম্মদ লোকমান, শওকত আলম চৌধুরী, এস এম ছলিম উদ্দিন খোকন চৌধুরী, হাজী রফিকুল আলম, মাস্টার মোহাম্মদ রফিক, সাজ্জাদুর রহমান, সরওয়ার হোসেন মাসুদ, জাহাঙ্গীর কবির, জাগির আহমদ, মোজাম্মেল হক বেলাল, জসীম উদ্দিন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো: আজগর, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মনজুর আলম তালুকদার, সালাউদ্দিন চৌধুরী সোহেল, শেফায়েত উল্লাহ চক্ষু, মোঃ ফৌজুল কবির ফজলু, মো. ইখতিয়ার হোসেন ইফতু, খন্দকার হেলাল উদ্দিন, জাবেদ মেহেদী হাসান সুজন, দিল মোহাম্মদ মঞ্জু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জমির উদ্দিন মানিক, এম মনছুর উদ্দিন, সালেহ জহুর, দেলোয়ার আজীম, শাহাদাত হোসেন সুমন, মোস্তাফিজুর রহমান ও দেলোয়ার হোসেন, জেলা ওলামা দলের আহবায়ক মাওলানা মুজিবুর রহমান, সদস্য সচিব জাবের আহমদ জেলা ছাত্রদল নেতা ইসমাইল বিন মনির ও তারেক রহমান প্রমুখ।

- Advertisement -spot_img
  • সর্বশেষ
  • পঠিত