চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, দেশের আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির নেত্রী ছিলেন না, প্রকৃত অর্থে তিনি দেশের জনগণেরও নেতা ছিলেন। বেগম জিয়ার নামাজে জানাজায় অংশ নেওয়া সর্বস্তরের জনগণের উপস্থিতিই এটি প্রমাণ করে। দেশের এই ক্লান্তিলগ্নে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের গুরুত্ব দেশবাসী ও নীতিনির্ধারকেরা উপলব্ধি করছে। তিনি দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষা করতে গিয়ে স্বৈরশাসকের মিথ্যা মামলায় জুলুম নির্যাতনের শিকার হলেও বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপোষহীন। গণতন্ত্র রক্ষায় তার সংগ্রামী মনোভাবের জন্যই তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
তিনি রবিবার (১২ জানুয়ারী) সকালে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারম্যান বেগম খালেদা জিয়া’র রুহের মাগফেরাত কামনায় কোরআন খতম, মিলাদ, দোয়া মাহফিল ও মাদরাসার ছাত্রদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ চট্টগ্রাম কলেজ, মহসিন কলেজ ও সাবেক ছাত্রদল ফোরামের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মোঃ কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আবু বক্কর সিকদার ও হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক ইয়াকুব আলী সিফাতের পরিচালনায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক এরশাদ উল্লাহ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কোনো নির্দিষ্ট দলের নেত্রী ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সম্পদ। তিনি রাজনৈতিক জীবনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সবসময় মানবিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করেছেন। তার শেষ বিদায়ের জানাযায় লাখো মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে তিনি একজন দেশপ্রেমিক ও মহান হৃদয়ের মানুষ ছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপি’র নেত্রী ছিলেন না, তিনি ছিলেন ১৮ কোটি জনগণের নেত্রী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আজীবন গণতন্ত্রের জন্য আপসহীন লড়াই করেছেন। তার এই শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়। রাজনৈতিক প্রতিটি টালমাটাল সময়ে বেগম খালেদা জিয়া সাহসিকতার সাথে জনগণকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আশির দশকে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে তার আপোষহীন ভূমিকার কারণেই বিএনপি জনগণের আস্থা অর্জন করে ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় আসেন।
দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শফিকুর রহমান স্বপন, হারুন জামান, আর ইউ চৌধুরী শাহিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, আহবায়ক কমিটির সদস্য ইকবাল চৌধুরী, আবুল ফয়েজ, আবুল হাসেম, খোরশেদ আলম, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, হানিফ সওদাগর, জাকির হোসেন, জমির উদ্দিন নাহিদ, ফাতেমা বাদশা, জিয়াউর রহমান জিয়া, আহবায়ক জাসাস সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান, শাহাজাহন কবির শাহিন, আসিফ চৌধুরী লিমন, তৌহিদুল ইসলাম নিশাদ, মোহাম্মদ বেলাল, এনামুল হক ইনু, দিদারুল আলম, এস এম মফিজ উল্লাহ, সিরাজ মুজি, জেসমিন খানম, মহসিন কবির আপেল, আলিফ উদ্দিন রুবেল, নজরুল ইসলাম, জিনিয়া রাজ্জাক, এড. সান্জি, ইঞ্জিনিয়ার শাহিন হায়াত, শফিউল আলম, সামিয়াত আমিন জিসান, আবদুল্লাহ আল হাসান, সোনা মানিক, ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল্লাহ সুমন, মোহাম্মদ আনাছ, মো: শফি, জাবেদ, দিদারুল আলম, ইমরান হোসেন আবির, যুব নেতা সোহেল, সাহাদাত হোসেন সাজ্জাদ, বোরহানুল হক, মামুন এলাহি, জুনাইদ রাসেল, নুরুল কবির, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদল নেতা শরিফুল ইসলাম আবির, মঞ্জুরুল আলম, মো; শোয়াইব, পারভেজ, হাসনাত, মহসিন কলেজ ছাত্রদল নেতা বাদশা, মোজাম্মেল, শাকিব ও জাহেদ সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারম্যান বেগম খালেদা জিয়া’র রুহের মাগফেরাত কামনায় কোরআন খতম, মিলাদ মাহফিল, দোয়া ও মাদরাসার ছাত্রদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

