চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম নয়নের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
নয়ন বুধবার (২৬ নভেম্বর) ভোর রাত তিনটার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে মাত্র ৩৮ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)।
বুধবার বাদে জোহর রশিদ বিল্ডিং মোড়ে মরহুমের নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি মা বাবা, তিন ভাই ও এক বোনসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও রাজনৈতিক সহকর্মী রেখে গেছেন।
নয়নের এই অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে ডা. শাহাদাত হোসেন এক শোক বার্তায় বলেন, তাজুল ইসলাম নয়নের আকস্মিক মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। নয়ন ছিলো দলের একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী, অনন্য সাহসী তরুণ এবং নীতিবান সংগঠক। বিশেষত আওয়ামী দুঃশাসন বিরোধী প্রতিটি আন্দোলনে তার অবদান ছিলো অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। তার মৃত্যুতে দল একজন ত্যাগী নেতাকে হারাল। তারুণ্যের প্রতীক নয়ন তার আদর্শের প্রতি দৃঢ়তা এবং সংগ্রামী জীবন দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে দলের প্রতি তার ভালোবাসা ছিল প্রশ্নাতীত। তার এই শূন্যতা সহজে পূরণ হবার নয়।
তিনি বলেন, নয়নের চলে যাওয়া শুধু পাঠানটুলি ওয়ার্ড নয়, গোটা চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর এবং রাজপথে তার সাহসী পদচারণা আমরা চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করব। দল যখনই তাকে প্রয়োজন করেছে, সে হাসিমুখে এগিয়ে এসেছে। সে ছিল আমাদের আন্দোলনের প্রেরণা এবং নতুন প্রজন্মের জন্য এক উজ্জ্বল উদাহরণ।
ডা. শাহাদাত হোসেন মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন যেন মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং তার পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দেন।

