আমি এক সুখের ফেরিওয়ালা খুঁজছি যে-
আমার কাছে খুব অল্প দামে বিকোবে সুখ নামক
পাখিটিকে, যে পাখি পোষ মানবেও বেশ!
বললেইতো আর তার সন্ধান পাওয়া যায়না!
আর যদিওবা পাও, তাহলে সে যে তোমাকে
সুখপাখি এনে দিবে,এমন গ্যারান্টি কে দেবে?
তুমি আমাকে সুখের গাঁও কই তার একটা
খোঁজ দাও,আমি না হয় সেখানে গিয়ে
সেই ফেরিওয়ালাকে খুঁজে নেব!
এমন আজগুবি কথাবার্তা বলছো যেন –
সুখ শের দরে বিকোয়?আর ফেরিওয়ালা
তা, যত্রতত্র বয়ে বেড়ায়?
আরে ভাই-তুমি আমার কথাটাইতো বুঝতে
পারলেনা? সুখের গাঁও এর খোঁজ পেলে
সুখপাখি যে পাওনা যাবে এ আমি নিশ্চিত!
বুঝিনা তোমার হেয়ালী মার্কা কথাবার্তা!
এতো যখন বলছো- তখন আমি একটু
খোঁজ-খবর নিয়ে না হয় তোমাকে জানাই!
ঠিক আছে, তুমি দেখতে থাকো আর আমিও
বসে থাকবোনা!আমার অনুসন্ধানও চলতে থাকবে।
কারণ,আমি দৃঢ়-প্রত্যয়ী মানুষ!একদিন তাকে
আমি খুঁজে বের করবোই!
আত্মবিশ্বাস থাকা ভাল,তবে তার জন্য নিজেকেও
তেমন করে প্রস্তুত করতে হয়- যা দেখে অন্যে
অনুকরণ বা অনুসরণ করতে পারে!
আমি সেই ব্রত নিয়েই এগুচ্ছি!
আমার মন বলছে-আমি একদিন মনপাখিকে
খুঁজে পাবোই!আর যে বল্লে- এমন কাজ করো
যা দেখে মানুষ শেখে বা অনুগামী হয়?
একদিন তা-ও তুমি স্বচক্ষে দেখবে,আর
আমার তখন মূল্যয়ণও করবে!
আশায় রইলাম আর খোঁজ লাগালাম,
কি ভাবে সেই সুখের গাঁও এবং সেই
সুখের ফেরিওয়ালাকে পেতে পারি!
তোমার কথায় আমি ভরসা করছি,
আমিও এগিয়ে যাচ্ছি আমার লক্ষে!
যদি লক্ষ্য থাকে স্হির এবং অটুট
তবে কোন বাঁধাই বাঁধা হতে পারেনা।
শক্তি-সাহস ও একাগ্রতাই মূলমন্ত্র!
এই মন্ত্রে যার দীক্ষা,সে সফল হবেই!
তোমরা শুধু আমাকে সাহস দাও,
পথের বাধা অতিক্রম করার শক্তি যোগাও
দেখবে,আমি যে আলোকশিখা জ্বালিয়ে
এগিয়ে জাওয়ার মন্ত্র গ্রহণ করেছি-
সেই লক্ষ্য পূরণে সক্ষম হবোই!
এজন্য আমি আর একটি বিষয়ে ইঙ্গিত
করছি, তাহলো- নিজেকে চিনতে হবে আগে।
অর্থাৎ যে নিজেকে উপলব্ধি করতে পারে এবং
পেরেছে, সে-ই সফলকাম হয়েছে!
আসলে সুখপাখি বা সুখের ফেরিওয়ালা
আমি নিজেই।আমার অন্তরের পাখিটিকে
কথা বলা শেখাতে পারলেই সুখপাখিটিকে
পাবো এবং তোমাদেরকেও সেই কাঙ্ক্ষিত
ফেরিওয়ালার কাছে নিয়ে যেতে পারবো!
এই হউক ব্রত এই হউক আমাদের সাধন,
থাকবেনা যেখানে কোন ভয় কিংবা বাঁধন!

