শনিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২৬

ব্যবসায়ীর নিকট চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের পাইকারি ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র খাতুনগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোসলিম উদ্দিনের নিকট সাংবাদিক পরিচয়ে কতিপয় ব্যক্তির চাঁদা দাবি ও দাবি কৃত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সামাজিক মর্যাদাহানি ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন খাতুনগঞ্জের সর্বস্তরের ব্যবসায়ী বৃন্দ।

৬ অক্টোবর সোমবার ,বিকেল চারটায় খাতুনগঞ্জ ট্রেড এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজ এসোসিয়েশনের হল রুমে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

খাতুনগঞ্জের স্বনামধন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মেসার্স নুরুল ইসলাম এন্ড ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী ব্যবসায়ী মোঃ মোসলেম উদ্দিনের পক্ষে তাঁর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল গালিব লিখিত বক্তব্যে বলেন। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোসলেম উদ্দিন ব্যবসায়ী, সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের সুবাদে বিভিন্ন সরকারের প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গের সাথে বিগত সময়ে তাকে উঠাবসা করতে হয়েছে।

৫ আগষ্ট ২০২৪, ছাত্র- জনতার গণ- অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে কিছু স্বার্থান্বেষী ও সুযোগ সন্ধানী মহল নতুন বাংলাদেশের শান্তি প্রিয় মানুষ বিশেষ করে ব্যবসায়িদেরকে জিম্মি করে বিভিন্ন ছবির ক্যাপশন পরিবর্তন করে, ফ্যাসিস্ট দোসর ট্যাগ লাগিয়ে সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবি করে, হুমকি ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে।

সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবিকারীরা ব্যবসায়ী মুসলিম উদ্দিনের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্কমকর্তা , সরকার দলীয় নেতাদের সাথে সামাজিক অনুষ্ঠানের ছবি গ্রামের, শহরের বাসা-অফিস ইত্যাদির ভিডিও ফুটেজ ধারণ করে ২৮ সেকেন্ডের ভিডিও নিউজ তৈরি করে, যাহাতে মোসলিম উদ্দিন কে ফ্যাসিবাদের দোসর,অবৈধ সম্পদ অর্জনকারী ট্যাগ দেওয়া হয়। ২৮ সেকেন্ডের ভিডিও মোসলিম উদ্দীনের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে তার মানসম্মান হানি করার ও বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দেয়। একপর্যায়ে চাঁদাবাজ গ্রুপটি নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মোসলেম উদ্দিন এর অফিসে এসে ভীতি প্রদর্শন করে বিপুল অংকের চাঁদা দাবি করে।
নিরুপায় হয়ে ব্যবসায়ী মোসলিম উদ্দিন আইনের আশ্রয় নিয়ে বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে দন্ডবিধি ৩৮৫/৫০৬(২) ধারায় মামলা দায়ের করেন।
উক্ত মামলায় পিবিআই বিস্তারিত তদন্ত পূর্বক তদন্ত প্রতিবেদন জমাদিলে বিজ্ঞ আদালত দুইজন ভুয়া সাংবাদিক নামধারী চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন, তাহাদের নাম (১) ইফতেখার করিম চৌধুরী (২) মাজেদুল ইসলাম।

মাজেদুল ইসলাম বিগত ৫ অক্টোবর বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। অপর আসামি পলাতক রয়েছেন।
বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
ব্যবসায়ী মোসলেম উদ্দিন ও খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী সমাজ
বিজ্ঞ আদালত সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রকৃত সাংবাদিক সমাজের নিকট আহ্বান জানান এইসব চাঁদাবাজদের মাস্টারমাইন্ডদের খুঁজে বের করে এই চক্রের মুখোশ উন্মোচন ও সমূলে উৎপাটন করে ব্যবসায়ী ও জনজীবনে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করবেন

- Advertisement -spot_img
  • সর্বশেষ
  • পঠিত