“চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হার্টের অবৈধ রিং ব্যবসায় জড়িত চিকিৎসক, নার্স” সমকাল পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন চমেকের হৃদরোগ বিভাগ।
প্রতিবাদ লিপিতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের হ্নদরোগ বিভাগ জানান, গত ২৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে ‘দৈনিক সমকাল’ পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়। উক্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের নিম্নোক্ত বক্তব্যগুলো আপনার স্বনামধন্য পত্রিকায় প্রকাশের জন্য অনুরোধ করছি।
উপরোক্ত প্রতিবেদনটিতে অসম্পূর্ণ অনুসন্ধান ও শব্দের ভুল চয়ন ও ব্যবহারের কারনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের নাম ও অবস্থান ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
হৃদরোগ চিকিৎসায় হার্টের রিং ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে চট্টগ্রাম মেডিকেলের হৃদরোগ বিভাগকে জড়ানো হয়েছে। হৃদরোগ বিভাগ ও এই বিভাগের কোন চিকিৎসক বা কর্মচারী এ ধরনের অবৈধ কার্মকান্ড বা কোন ব্যবসার সাথে জড়িত নেই।
আমাদের ক্যাথল্যাবে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত রিং ও সরঞ্জাম রাখা হয়। কোন অবৈধ রিং বা সরঞ্জামের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না।
বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ মোঃ ইব্রাহিম চৌধুরীকে নিয়ে পত্রিকার বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা। উনি বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন গত ১মাস আগে অর্থাৎ ২২/০৬/২০২৬ থেকে। উনার কোনো ভাতিজা বা কোনো কোম্পানিকে উনি চিনেন না এবং এ সম্পর্কিত কোন ব্যাপারে উনার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।
হৃদরোগ বিভাগের কোনো চিকিৎসক বা কর্মচারী কোন প্রকার লেনদেনের সাথে জড়িত না এবং চিকিৎসকের কমিশন নেয়ার প্রশ্নই আসে না। সরকার কতৃক নির্ধারিত মূল্যের বেশি কোনো প্রকার লেনদেন করা হয় না।
আমাদের ধারণা যখন চট্টগ্রামে হৃদরোগের চিকিৎসা পৃথিবীর অন্যান্য উন্নত দেশগুলোর সমতুল্য হয়ে দেখা দিচ্ছে তখন কোন একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা সংগঠন সেই বিশ্বাস এবং সেই আগ্রহকে বাধা প্রদান করার জন্যই এ ধরনের সংবাদ প্রচার করার চেষ্টা করছে।
কোন স্ট্যান্ড বা রিং এর প্রতিষ্ঠান বৈধভাবে বা অবৈধভাবে রিং আমদানি যদি করে থাকে তাহলে তাদেরকে সরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানের সম্মুখীন হতে হয় সেটা সেসব প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতা। কখনো ডক্টরের দায়বদ্ধতা হতে পারে না। অতএব আমরা মনে করি প্রকাশিত নিউজটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও মানহানীকর।
এমতবস্থায়, গত ২৬শে জুলাই, ২০২৬ইং তারিখে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের “হার্টের অবৈধ রিং ব্যবসায় জড়িত চিকিৎসক, নার্স’ নামক শিরোনামে প্রকাশিত উক্ত সংবাদটি অনলাইন সংস্করণ সহ সংশোধন করে সংবাদ প্রকাশ পূর্বক পাঠক ও জনগণের নিকট সঠিক তথ্য উপস্থাপনের জন্য আপনাকে অনুরোধ করা হলো।

