শুক্রবার, জুলাই ১৭, ২০২৬

প্রাক্-প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষা ব্যবস্থার বাস্তবতা, সংকট ও সমাধান প্রয়োজন

প্রকৌশলী আরিফ হাছান চৌধুরী

চেরাগি নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আবারও জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে। সাম্প্রতিক পাবলিক পরীক্ষাকে ঘিরে অনিশ্চয়তা, বন্যা ও দুর্যোগের মধ্যে পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং পরবর্তীতে পুনর্মূল্যায়ন ও পুনঃপরীক্ষার ঘোষণা—এসব ঘটনা আমাদের একটি বাস্তব সত্যের সামনে দাঁড় করিয়েছে। সমস্যাটি কেবল একটি পরীক্ষা নয়; বরং আমাদের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতার প্রতিফলন।

আমরা এমন একটি দেশে বাস করি, যেখানে প্রায় প্রতি বছরই বন্যা, অতিবৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড়, তাপপ্রবাহ কিংবা শৈত্যপ্রবাহের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়। এসব দুর্যোগে লাখো শিক্ষার্থীর স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তবুও আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় এখনো দুর্যোগ-সহনশীল কোনো দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক পরিকল্পনা গড়ে ওঠেনি। অন্যদিকে, সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবও প্রায়ই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ে। ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় শিক্ষার্থীরা।
কিন্তু এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় সংকট নয়। প্রকৃত সংকট শুরু হয় শিশুর শিক্ষাজীবনের প্রথম দিন থেকেই।
পরীক্ষাকেন্দ্রিক ও কোচিংনির্ভর শিক্ষা থেকে বেরিয়ে এসে শিশুকেন্দ্রিক, দক্ষতাভিত্তিক ও গবেষণামুখী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।
শৈশব হারিয়ে যাচ্ছে প্রতিযোগিতার চাপে
প্রথম শ্রেণির একটি শিশুর বয়স সাধারণত পাঁচ বা ছয় বছর। এই বয়সে তার পৃথিবী হওয়ার কথা ছিল খেলাধুলা, গল্প, কৌতূহল আর নতুন কিছু আবিষ্কারের আনন্দে ভরা। কিন্তু বাস্তবে তার দিন শুরু হয় ভোরে। সকাল আটটার স্কুলে পৌঁছাতে ঘুম থেকে উঠতে হয় অনেক আগে। নিজের শরীরের তুলনায় ভারী ব্যাগ কাঁধে নিয়ে যানজট পেরিয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়া, দুপুরে ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফেরা, তারপর হোমওয়ার্ক, বিকেলে আরবি শিক্ষক, এরপর গণিত, ইংরেজি কিংবা অন্য বিষয়ের প্রাইভেট শিক্ষক—রাত পর্যন্ত চলতে থাকে এই ব্যস্ততা। এই সময়টুকুতে একটি শিশুর নিজের মতো করে বেড়ে ওঠার সুযোগ কোথায়? খেলাধুলা, বই পড়া, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো কিংবা প্রকৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সময় কোথায়?

শিশু মনোবিজ্ঞান বলছে, জীবনের প্রথম কয়েক বছর একটি শিশুর মানসিক, সামাজিক ও আবেগীয় বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। অথচ আমরা এই সময়টাকেই পরীক্ষা, নম্বর ও প্রতিযোগিতার চাপে ভারাক্রান্ত করে তুলেছি। ফলে শিশুরা মুখস্থ করতে শিখছে, কিন্তু চিন্তা করতে শিখছে না; উত্তর লিখতে শিখছে, কিন্তু প্রশ্ন করতে শিখছে না।
জিপিএ বাড়ছে, কিন্তু দক্ষতা কি বাড়ছে?
গত এক দশকে বোর্ড পরীক্ষায় জিপিএ-৫ ও এ+ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এটি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক একটি দিক। কিন্তু একই সঙ্গে একটি প্রশ্নও সামনে আসে—এই ফলাফল কি শিক্ষার্থীদের প্রকৃত জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতার প্রতিফলন? বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা, বিসিএস, ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষা কিংবা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অনেক মেধাবী ফলধারী শিক্ষার্থীও মৌলিক বিশ্লেষণ, সমস্যা সমাধান কিংবা যুক্তিভিত্তিক প্রশ্নে প্রত্যাশিত দক্ষতা দেখাতে পারে না। কর্মক্ষেত্রেও নিয়োগদাতারা প্রায়ই অভিযোগ করেন, নতুন গ্র্যাজুয়েটদের প্রযুক্তিগত জ্ঞানের পাশাপাশি যোগাযোগ দক্ষতা, দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা, সৃজনশীলতা এবং বাস্তব সমস্যা সমাধানের দক্ষতায় ঘাটতি রয়েছে। অর্থাৎ, আমরা পরীক্ষায় ভালো ফল অর্জন করছি; কিন্তু সবসময় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে পারছি না।

কোচিংনির্ভর শিক্ষা: মূল সমস্যা কোথায়?
আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার আরেকটি বড় দুর্বলতা হলো কোচিং ও প্রাইভেট টিউশননির্ভরতা। শহর থেকে গ্রাম—প্রায় সর্বত্রই এমন ধারণা তৈরি হয়েছে যে, শুধু বিদ্যালয়ের পাঠ যথেষ্ট নয়; ভালো ফল করতে হলে অতিরিক্ত কোচিং প্রয়োজন। এটি কেবল শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত মানসিক চাপ সৃষ্টি করছে না; বরং অভিভাবকদের জন্যও বড় আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি মধ্যবিত্ত পরিবারকে অনেক সময় সন্তানের শিক্ষার পেছনে আয়ের বড় অংশ ব্যয় করতে হয়।
প্রশ্ন হলো, যদি বিদ্যালয়ে প্রতিটি বিষয়ের জন্য যোগ্য শিক্ষক থাকেন, তাহলে আবার একই বিষয় শেখার জন্য আলাদা শিক্ষক কেন প্রয়োজন হবে? এই প্রশ্নের উত্তর আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার ভেতরেই লুকিয়ে আছে। অনেক ক্ষেত্রে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান পরীক্ষাকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীর কৌতূহল, সৃজনশীলতা কিংবা ব্যক্তিগত শেখার প্রয়োজনীয়তা পর্যাপ্ত গুরুত্ব পায় না। ফলে কোচিং যেন মূল শিক্ষা ব্যবস্থার বিকল্প নয়, বরং বাধ্যতামূলক অংশে পরিণত হয়েছে।
উন্নত বিশ্ব থেকে কী শেখা যায়?
ফিনল্যান্ড, কানাডা, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি কিংবা উত্তর আমেরিকার অধিকাংশ অঞ্চলে বিদ্যালয়ই শিক্ষার প্রধান কেন্দ্র। সেখানে প্রাথমিক স্তরে শিশুর আনন্দময় শেখা, খেলাধুলা, দলগত কাজ, সমস্যা সমাধান, শিল্প-সংস্কৃতি এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাসায় ফিরে একটি শিশুর প্রধান কাজ আবার পড়ার টেবিলে বসা নয়; বরং পরিবার, খেলাধুলা এবং নিজের আগ্রহের বিষয় নিয়ে সময় কাটানো। এসব দেশে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষেই অধিকাংশ শেখার কাজ সম্পন্ন হয়। ফলে কোচিং বা ব্যক্তিগত টিউশনের প্রয়োজন খুবই সীমিত। শিক্ষা ব্যবস্থার লক্ষ্য শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল নয়; বরং একজন দায়িত্বশীল, আত্মবিশ্বাসী, মানবিক এবং দক্ষ নাগরিক তৈরি করা। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থারও সেই দর্শনের দিকে ধীরে ধীরে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন।
শিক্ষক: শিক্ষা ব্যবস্থার প্রাণ, অথচ সবচেয়ে অবহেলিত
একটি শিক্ষা ব্যবস্থার মান নির্ধারণ হয় মূলত তার শিক্ষকের মান দিয়ে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো—বিশেষ করে ফিনল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, কানাডা, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস কিংবা দক্ষিণ কোরিয়ায়—শিক্ষকতা শুধু একটি চাকরি নয়; এটি একটি মর্যাদাপূর্ণ পেশা। মেধাবী শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছায় শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন। কারণ রাষ্ট্র তাদের প্রতিযোগিতামূলক বেতন, সামাজিক মর্যাদা, গবেষণার সুযোগ এবং পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।
বাংলাদেশে বাস্তবতা অনেক ভিন্ন। বিশেষ করে প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বহু শিক্ষক সীমিত বেতন ও আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দায়িত্ব পালন করেন। সমাজে শিক্ষকতার প্রতি আগের মতো সম্মানও অনেক ক্ষেত্রে কমে এসেছে। অথচ একটি রাষ্ট্র যদি তার শিক্ষককে যথাযথ মর্যাদা দিতে না পারে, তাহলে সেই রাষ্ট্রের পক্ষে বিশ্বমানের শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা কঠিন। তবে শুধু বেতন বাড়ালেই সমস্যার সমাধান হবে না। এর পাশাপাশি শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, গবেষণায় অংশগ্রহণ, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা এবং কার্যকর জবাবদিহিতাও নিশ্চিত করতে হবে। যোগ্য শিক্ষককে যেমন সম্মান ও প্রণোদনা দিতে হবে, তেমনি দায়িত্বে অবহেলার ক্ষেত্রেও কার্যকর মূল্যায়ন ব্যবস্থা থাকতে হবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কি কেবল পরীক্ষার কারখানা?
আজ আমাদের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে পরীক্ষার ফলাফল। একটি বিদ্যালয় বা কলেজের মান বিচার করা হয় কতজন জিপিএ-৫ পেয়েছে, কতজন মেডিকেল বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে—এসব দিয়ে। অথচ একটি ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত পরিচয় হওয়া উচিত—সেখান থেকে কতজন সৎ, দক্ষ, দায়িত্বশীল এবং উদ্ভাবনী মানুষ তৈরি হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও একই চিত্র। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার চেয়ে পরীক্ষা, সিজিপিএ এবং সনদ অর্জন বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। গবেষণাগার, আধুনিক ল্যাব, আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা এবং শিল্প-খাতের সঙ্গে সংযোগ এখনো পর্যাপ্ত নয়। ফলে অনেক শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জন করলেও কর্মক্ষেত্রের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হিমশিম খায়।
অবকাঠামো ও শিক্ষার পরিবেশ
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একই মানের বলা যাবে না। অনেক সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়েছে। তবে এখনো অসংখ্য বিদ্যালয়, কলেজ এবং কিছু উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, বিজ্ঞানাগার, কম্পিউটার ল্যাব, গ্রন্থাগার, খেলার মাঠ কিংবা গবেষণার সুযোগ নেই। অনেক প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি। শুধু ভবন নির্মাণ করলেই শিক্ষা উন্নত হয় না। একটি মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজন দক্ষ শিক্ষক, আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণার পরিবেশ, নিরাপদ ক্যাম্পাস এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক প্রভাব কমাতে হবে
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ক্ষেত্রে পরিচালনা কমিটি বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে অতি-রাজনৈতিক প্রভাব, ব্যক্তিগত স্বার্থ বা অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ একাডেমিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও শিক্ষকরা অনেক সময় স্বাধীনভাবে একাডেমিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।

শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে পরিচালিত করতে হবে, যেখানে সিদ্ধান্তের ভিত্তি হবে শিক্ষার মান, শিক্ষার্থীর কল্যাণ এবং প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন—কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিবেচনা নয়।
ভবিষ্যতের শিক্ষা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে আমরা কতটা প্রস্তুত?
বিশ্ব এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), রোবটিক্স, ডেটা সায়েন্স, সাইবার নিরাপত্তা এবং অটোমেশনের যুগে প্রবেশ করেছে। ভবিষ্যতের অনেক পেশাই বদলে যাবে। তাই আমাদের শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইনির্ভর জ্ঞান দিয়ে আর এগিয়ে রাখা সম্ভব নয়। প্রাথমিক পর্যায় থেকেই যুক্তিভিত্তিক চিন্তা, সমস্যা সমাধান, যোগাযোগ দক্ষতা, প্রযুক্তি ব্যবহার, উদ্যোক্তা মনোভাব এবং গবেষণার প্রতি আগ্রহ গড়ে তুলতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শিল্প-কারখানা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হবে। অন্যথায় আমাদের শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে।
এখন কী করা প্রয়োজন?
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে কয়েকটি বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি—
দুর্যোগ-সহনশীল শিক্ষা ও পরীক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন।
প্রাথমিক স্তরে আনন্দময় ও শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষা নিশ্চিত করা।
হোমওয়ার্ক ও কোচিংনির্ভরতা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা।
ধারাবাহিক মূল্যায়ন, প্রকল্পভিত্তিক শিক্ষা এবং সমস্যা সমাধানভিত্তিক পাঠদান চালু করা।
শিক্ষকতার পেশাকে আকর্ষণীয় করতে প্রতিযোগিতামূলক বেতন, সামাজিক মর্যাদা এবং নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং পেশাদার নেতৃত্ব নিশ্চিত করা।
গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি শিক্ষা এবং শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।
প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম অবকাঠামো, গ্রন্থাগার, ল্যাব ও খেলার মাঠ নিশ্চিত করা।
শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য, নৈতিক শিক্ষা, পরিবেশ সচেতনতা এবং নাগরিক দায়িত্ববোধকে পাঠ্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ করা।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, সিএসই বিভাগ
ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চট্টগ্রাম (USTC)।

- Advertisement -spot_img
  • সর্বশেষ
  • পঠিত