বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬

চট্টগ্রামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা স্বাক্ষরতা ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের চতুর্থ দফা সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শিক্ষা, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী বিশ্বমানের “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সাক্ষরতা ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ” কর্মসূচির চতুর্থ দফা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

গত ১৭ জুন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনের পর বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) নগরীর স্বনামধন্য শিক্ষানন্দ স্কুলের হলরুমে সমাপনী অনুষ্ঠান ও সনদপত্র বিতরণের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের কার্যক্রম শেষ হয়। কর্মশালায় চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণটি হাতে-কলমে পরিচালনা করেন ব্র্যাকের প্রশিক্ষক বিন্তু বনিক। তিনি অংশগ্রহণকারীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মৌলিক ধারণা, শিক্ষাক্ষেত্রে এর কার্যকর ব্যবহার, বিভিন্ন ডিজিটাল টুলসের প্রয়োগ এবং আধুনিক পাঠদান কৌশল সম্পর্কে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।
সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ খলিল উল্লাহ সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের সভাপতি কাজী সরোয়ার খান মনজু।
বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক মিসেস মালেকা আনোয়ার মায়া, নির্বাহী সদস্য উম্মে সালমা, শিক্ষানন্দ স্কুলের প্রধান শিক্ষক আলেয়া বেগম এবং দি অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষক জেবুন্নেছা বেগম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী সরোয়ার খান মনজু বলেন, বর্তমান যুগে প্রযুক্তিগত জ্ঞান ছাড়া মানসম্মত শিক্ষা কল্পনা করা যায় না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শিক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। আমাদের শিক্ষকদের এ বিষয়ে দক্ষ করে তুলতে পারলে শিক্ষার্থীরাও বিশ্বমানের শিক্ষায় আরও এগিয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষকদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ শিক্ষকদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, যুগোপযোগী শিক্ষাদান পদ্ধতি গ্রহণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

- Advertisement -spot_img
  • সর্বশেষ
  • পঠিত