বাংলাদেশ টেলিভিশন ( বিটিভি )চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) ঈমাম হোসাইন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সেপ্টেম্বর মাসে চট্টগ্রাম কেন্দ্রে যোগদান করেন। পতিত আওয়ামী লীগের দোসরেরা গতো ১৭ বছর সিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রে অনুষ্ঠানের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছে। সরাসরি দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছে পতিত আওয়ামী গং।
জিএম ঈমাম হোসাইন যোগদান করার পর পেশাদার শিল্পী দ্বারা নিয়মিত অনুষ্ঠান প্রচার করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়ার পর পতিত ফ্যাসিস্টের সুবিধা ভোগী গোষ্ঠীর রোষানলে পড়েন। তারা অনৈতিক সুবিধা আদায় করতে ব্যর্থ হন। মানহীন অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেন জিএম। নতুন নতুন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র কে একটি পেশাদার টিভি চ্যানেলে রুপান্তর করার জন্য দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ঈমাম হোসাইন। শিল্পী নামধারী লীগের নেতা-কর্মীদের চট্টগ্রাম কেন্দ্রের নানা রকম অনৈতিক সুবিধা বন্ধ করে দেন।
পরাজিত শক্তির দোসরেরা কোন অন্যায় কিছু আদায় করতে না পেরে নানাবিধ রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে ব্যর্থ হয়ে চরিত্র হননে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টিভি চ্যানেল যখন ভালো মানের অনুষ্ঠান প্রচার করে চট্টগ্রামের শিল্প -সংস্কৃতির বিকাশে নিরবে কাজ করে যাচ্ছে তখনই পরাজিত সুবিধা ভোগীরা বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের জাল বুনে যাচ্ছে।
বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার ঈমাম হোসাইনকে সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে চেরাগি নিউজ কে তিনি বলেন, বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ব্যয় সংকোচন এবং বৃদ্ধি করা হয়েছে। গত অর্থ বছরে সোয়া এক কোটি অব্যয়িত অর্থ ফেরত দেয়া হয়েছে এবং বিজ্ঞাপন ও লাইসেন্স বাবদ আয় হয়েছে চুরানব্বই লাখ টাকা। পুরনো অনুষ্ঠান সম্প্রচার বন্ধ করা হয়েছে। মাসিক আয় আট লাখের ঊর্ধ্বে। শিল্পীদের নিয়মিত ভাবে অনুষ্ঠান দেয়া হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেল পেশাদার শিল্পী দ্বারা সঠিক ভাবে পরিচালিত হোক এটাই চট্টগ্রামের শিল্পী সমাজের প্রত্যাশা।

