বুধবার, এপ্রিল ২২, ২০২৬

আজ হাসিনার মামলার রায়

চেরাগি নিউজ ডেস্ক

রাত পোহালেই শেখ হাসিনার মামলার রায়। মানবতাবিরোধী অপরাধে প্রথমবারের মতো দেশের কোনো সাবেক প্রধানমন্ত্রী সাজার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। আর এ রায় ঘিরে দেশ-বিদেশের মানুষের নজর এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দিকে। জুলাই গণহত্যার দায়ে কী সাজা পাবেন একসময়ের প্রতাপশালী প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী; এমন কানাঘুষা চলছে সর্বত্র। অপেক্ষার প্রহর যেন শেষ হতে চলেছে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে জীবনপ্রদীপ নিভে যাওয়া হাজারো শহীদ আর আহত পরিবারের।

শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। পুলিশ-বিজিবির পাশাপাশি নিয়োজিত রয়েছে সেনাবাহিনী। তৎপর গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও। এরই মধ্যে নিরাপত্তার স্বার্থে রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে দোয়েল চত্বর হয়ে শিক্ষা ভবনমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একইসঙ্গে সীমিত করা হয়েছে পথচারীদের চলাচল। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ বসার সময়ও নির্ধারণ হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) বেলা ১১টায় কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে রেজিস্ট্রার কার্যালয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন। যদিও রাজসাক্ষী হয়ে নিজের একসময়ের দুই কর্তার বিরুদ্ধে হাঁটে হাঁড়ি ভাঙেন সাবেক আইজিপি মামুন। অজানা সব তথ্যের ঝাঁপি খুলে দেওয়ায় তার শাস্তির সিদ্ধান্ত এখন ট্রাইব্যুনালের কাছে। তবে বাকি দুজনেরই সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে প্রসিকিউশন। আর মামুনের খালাস চেয়েছেন তার আইনজীবী যায়েদ বিন আমজাদ।

জানা গেছে, গোটা জাতিকে শেখ হাসিনার রায় কার্য সরাসরি দেখানো হবে। ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বসানো হবে বড় পর্দা। বিচারকাজকে স্বচ্ছ রাখতে করা হচ্ছে এমন আয়োজন। এ ছাড়া রায় শুনতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে প্রসিকিউশন। ন্যায়বিচারের স্বার্থে ট্রাইব্যুনাল যে আদেশ দেবেন তা মেনে নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তারা।

- Advertisement -spot_img
  • সর্বশেষ
  • পঠিত